Ebola virus 2026: আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ইবোলার 'কিলার' স্ট্রেন! WHO সতর্কতা জারি করেছে কঙ্গো-উগান্ডায়
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা World Health Organization (WHO) ২০২৬ সালের ইবোলা পরিস্থিতিকে “Public Health Emergency of International Concern (PHEIC)” ঘোষণা করেছে। এই সতর্কতা মূলত Democratic Republic of the Congo এবং Uganda-এ ছড়িয়ে পড়া বিরল Bundibugyo strain–এর কারণে জারি করা হয়েছে।কেন এই স্ট্রেন নিয়ে এত উদ্বেগ?
এই “Bundibugyo” স্ট্রেনটি তুলনামূলকভাবে বিরল এবং বর্তমানে এর জন্য অনুমোদিত কার্যকর ভ্যাকসিন বা নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই বলে WHO উদ্বেগ প্রকাশ করেছে।
এখন পর্যন্ত কী জানা গেছে?
- কঙ্গোর ইটুরি (Ituri) প্রদেশে শতাধিক সন্দেহভাজন সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে।
- WHO-এর তথ্য অনুযায়ী, ১৬ মে পর্যন্ত অন্তত ২৪৬টি সন্দেহভাজন কেস ও ৮০টির বেশি সন্দেহভাজন মৃত্যু রিপোর্ট হয়েছে।
- উগান্ডার রাজধানী কাম্পালাতেও নিশ্চিত কেস ধরা পড়েছে।
- স্বাস্থ্যকর্মীদের মধ্যেও সংক্রমণ ও মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যা হাসপাতালভিত্তিক সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
ইবোলা কীভাবে ছড়ায়?
ইবোলা সাধারণত—
- আক্রান্ত ব্যক্তির রক্ত, শরীরের তরল বা টিস্যুর সংস্পর্শে,
- দূষিত কাপড়, সূঁচ বা চিকিৎসা সরঞ্জামের মাধ্যমে,
- এবং মৃতদেহ স্পর্শের মাধ্যমেও ছড়াতে পারে।
লক্ষণগুলো কী?
সাধারণ উপসর্গের মধ্যে রয়েছে:
- উচ্চ জ্বর
- তীব্র দুর্বলতা
- বমি ও ডায়রিয়া
- পেশীতে ব্যথা
- কিছু ক্ষেত্রে অভ্যন্তরীণ বা বাহ্যিক রক্তক্ষরণ
WHO কী বলছে?
WHO বলেছে, এটি এখনো “pandemic” নয়, তবে সীমান্ত পেরিয়ে ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি অনেক বেশি। তাই আন্তর্জাতিক সমন্বয়, স্ক্রিনিং এবং জরুরি স্বাস্থ্যব্যবস্থা জোরদার করতে বলা হয়েছে।
আতঙ্কিত হওয়ার দরকার আছে?
বিশেষজ্ঞদের মতে, আতঙ্কের চেয়ে সতর্কতা বেশি জরুরি। ইবোলা খুব মারাত্মক হলেও এটি সাধারণত COVID-19-এর মতো বাতাসে সহজে ছড়ায় না। দ্রুত শনাক্তকরণ, আইসোলেশন ও সংস্পর্শ ট্র্যাকিং করলে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ সম্ভব।





